Entartainment

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও সরব বাংলাদেশি বিটিএস আর্মি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বর্তমান বিশ্বের সঙ্গীত সম্পর্কে যারা টুকটাক ধারণা রাখে অথচ বিটিএস সম্পর্কে জানেন না এমন সংখ্যা নেহাত কমই। কেনই বা জানবে না যারা কিনা বিলবোর্ড ২০০ তে দুইবার প্রথম স্থান লাভ করে প্রথম কোনো কোরিয়ান ব্যান্ড হিসেবে। ইউনিসেফ এ কোনো ব্যান্ড হিসেবে তারাই প্রথম ভাষন দেয়। এবং যাদের ‘Love yourself’ গানের ক্যাম্পেইন এ ওয়ার্ল্ড ট্যুর এ রেকর্ড সংখ্যক (১.০২ মিলিয়ন ) দর্শক উপস্থিত ছিল এবং রেকর্ড ৭৮.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে।(সুত্র :উইকিপিডিয়া)

এরকম আরো অনেক রেকর্ডের পেছেনে অবদান দলের ৭ সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম সততা আর ভক্তদের প্রতি তাদের রঙিন ভালবাসা।

#বিটিএস এর সাফল্যের পেছনে ভক্তদের অবদানও অনেক তারা শুরুর দিক থেকেই ভক্তদের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং বরাবরই ভক্তদের কে খুব ভাল ভাবেই প্রাধান্য দেয়। তাই
সারা বিশ্বে রয়েছে বিটিএস এর কোটি কোটি ভক্ত। যারা পার্পেল আর্মি বা বিটিএস আর্মি নামে পরিচিত। বরাবরই বলা হয় বিটিএস ভক্তরা একটু বেশি ই আবেগী। কারন তাদের কর্মকাণ্ড দেখলে এমনটাই মনে হবে, না হলে সদ্য আমেরিকায় Black Lives Matter -এ বিটিএস ১ মিলিয়ন ডলার (৮ কোটি ৪৯ লক্ষ ৩ হাজার ৬১০ টাকা ) দেয়।বিপরীতে তাদের ভক্তরা ও ২৪ ঘন্টায় সমপরিমাণ অর্থ দেয়।এরকম অনেক কিছুই করে থাকে বিটিএস ভক্তরা বিটিএস কে ভালবেসে।

# বাংলাদেশের বিটিএস ভক্ত :
অন্য সব দেশের মতই বাংলাদেশেও রয়েছে অসংখ্য বিটিএস ভক্ত। এবং তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, ফেসবুক গ্রুপের দ্বারা যথেষ্ট সারা পেয়েছে।বাংলাদেশে বিটিএস ভক্তদের সবচেয়ে বড় গ্রুপ হল ‘BTS HOUSE OF BENGALI 🌐Armys🌐‘ এবং ঠিক একই নামে একটি ফ্যানপেইজও রয়েছে। আর এখানে শুধু বাংলাদেশী সদস্য নয় ভারতেরও সদস্যও রয়েছে এবং যারা এই গ্রুপ ও পেইজ এর সদস্য তাদের পার্পেল পরিবার ও বাঙালী আর্মি নামে তারা পরিচিত।এখানে বিটিএস আর্মিরা তাদের পছন্দের বিটিএস নিয়ে নানা রকম কর্মকাণ্ড করে থাকে।যেমন: বিটিএস সকল প্রকার আপডেট, আর্মিদের সকল প্রকার ট্যালেন্ট।

এই গ্রুপ ও পেইজ এর প্রতিষ্ঠাতা ও অ্যডমিন : সামায়রা আক্তার,মেঘলা ইসলাম ও ইউলিসিস প্রজাপতি।
মডারেটর হিসেবে আছেন: সুপর্ণা ঘোষাল(ভারত),নাফিসা আনজুম, এবং পেইজ এডিটর হিসেবে আছেন: সাইফ এস নাহিন,শায়লা সুপ্তি, ছীমা সুলতানা।

তাদের ও বাঙালী আর্মিদের সাথে কথা বলে জানা যায় বাংলাদেশে এটি একটি বৃহৎ বিটিএস আর্মি গ্রুপ।
তাদের এই ফ্যান গ্রুপের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপন, অসহায় মানুষকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করা, প্রাণী সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষা অভিযান এর মত সামাজিক সচেতনতা মুলক কাজের সাথে তারা জরিত এবং এসব নাকি বিটিএস এর থেকে উৎসাহী হয়ে করা।
তাদের অনেক সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায় বিটিএস তাদের জীবনকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে এবং প্রতিনিয়ত ভরসা দিয়ে যাচ্ছে। আবার অনেক সদস্য বলেছে বিটিএস তাদের কে আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করেছে। টীনেজারাই অনেক সময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন এবং না বুঝেই অনেক ভুল করে ফেলেন এবং ডিপ্রেশনের মধ্যে ও থাকেন,তাদের দাবি বিটিএস এর গান তাদের এসব সমস্যা থেকে দূরে রাখে।ভেঙে না পরার মনোবল তৈরি করে।নিজেকে ভালবাসে (Love Yourself)

#বিটিএস আর্মিদের আজব সব কাজ।
বিটিএস কে ভালবেসে তারা অনেক আজব কাহিনী ও করে হরহামেশা। যেমন বিটিএস এর কোনো জিনিসপত্র যেমন ব্যাগ, টি-শার্ট, ছবি এসব সংগ্রহ করা হোকনা সে-সব দামী।পছন্দের দলের নাম কিংবা ছবি তো আছেই।
আবার কারও ইচ্ছে একবার হলেও দক্ষিন কোরিয়া গিয়ে পছন্দের দলের সবার সাথে দেখা কার সেটুকু না হলেও দূর থেকে তাদের কনসার্ট দেখা। অনেকে তো আবার তাদের পরিবারের সকলকে নিয়েই বিটিএস এর গান শুনে এবং বিটিএস এর উৎসাহ দেয়া দেখে তাদের পরিবার ও তাদের সমর্থন করে।

#সমালোচক দের নিয়ে বিড়ম্বনা

সবকিছুরই ইতিবাচক দিক নিয়ে যেমন আলোচনা, সমালোচনা হয় তেমনি নেতিবাচক দিক নিয়েও।
সেরকম বিটিএস নিয়ে ও সমালোচনা হয় তবে সেটা বেশির ভাগই হয় সাব-কন্টিনেন্ট এর দেশ গুলোতে বাংলাদেশ ভারত কিংবা পাকিস্তানে।তাদের নিয়ে বিভিন্ন সময় ট্রোল হয় তাদের অতি সাজগোছ নিয়ে।
এটা তো আমাদের জাতীয় সমস্যা। আমরা হয়তো অনেকে বিটিএস এর কোন গান বা গানের কথা গুলো না শুনেই মন্তব্য করা শুরু করে দিয়েছি।
এসবে অবশ্য বিটিএস ভক্তদের তেমন মাথা ব্যাথা নেই তাদের কথা, বিটিএস এসব সমালোচনা কানে নেয় না বরং তারা মানুষকে প্রকৃত মানুষ হওয়ার কথা বলে।

লেখা- তাওহীদ


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment